ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অনলাইন প্রতারণার স্বীকার হলে সরকারি আইনের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা।

দিন দিন বেড়েই চলেছে অনলাইন প্রতারণা।

নয়ালোক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৫১০৬ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তার সংস্থার অধীনে কয়েক সদস্যের টিম একটি অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তদন্ত চালিয়ে সত্যতা যাচাই করে। MST. Ferdosi Khatun -নামে এক জাতীয় পরিচয়পত্রের অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিকাশ একাউন্টের বিরুদ্ধে অনলাইন সেবার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠে। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ছোট পরিসরে তদন্ত চালায় নিরাপত্তা সংস্থা। ১লা সেপ্টেম্বর তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে বলে টেলিফোনে দৈনিক নয়ালোক’কে জানায় ক্ষনস্থায়ী করা কমিটির প্রধান। এছাড়াও আরো কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের মারফত আরো কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে দৈনিক নয়ালোক-এর হাতে।

অনলাইনে বিভিন্ন সেবা দেওয়া নাম করে বিকাশের মাধ্যমে অগ্রিম টাকা নিয়ে পরবর্তীতে ভোক্তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ব্লক করে দেয় এক শ্রেণির প্রতারকমহল। সেই অভিযোগে তদন্ত চলাকালীন টাকা পেয়ে রাকিবুল ইসলাম নামে এক সদস্যকে ব্লক করে দেয় এক প্রতারক। সেই সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয় অন্যান্য সদস্যদের সাথে। একপর্যায়ে তদন্ত কমিটিকে গালি দিতে থাকে প্রতারক। এছাড়া, ফোন কলে ভোক্তার সাথে কথা বলতে চায় না এই প্রতারক। ভোক্তার সাথে শতভাগ যোগাযোগ না করতে পারলে কাউকে ব্যবসায়ী বৈধতা দেওয়া হয়না। সেক্ষেত্রে এই প্রতারক কারো সাথে ফোন কলে যোগাযোগ করতে চায়না বলে জানা যায়।

টেলিযোগে এই ধরনের অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে কর্মকর্তা জানান, “আইনানুসারে যে শাস্তি আছে তাই হবে। অপরাধের পরিমাণ অনুযায়ী সর্বনিম্ন দেড় লক্ষ টাকা আর্থিক জরিমানা সহ সর্বনিম্ন ৬০ দিবসের কারাবাস হতে পারে। এছাড়া ভোক্তার সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে জামিনের আবেদন করতে পারবে।” তিনি আরো যোগ করেন, “প্রতারণা শুধুমাত্র এখানে সীমাবদ্ধ না। অনলাইনে আরো অনেক বড় বড় প্রতারকচক্র রয়েছে যারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদেরকেও ধীরে ধীরে আইনের আওতায় আনা হবে।” পাশাপাশি তিনি ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন। যারা প্রতারণার স্বীকার হবে তারা যেন সরাসরি আইনের শরণাপন্ন হয় সেই পরামর্শ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন :

আপলোডকারীর তথ্য

অনলাইন প্রতারণার স্বীকার হলে সরকারি আইনের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা।

দিন দিন বেড়েই চলেছে অনলাইন প্রতারণা।

আপডেট সময় : ০৪:২৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তার সংস্থার অধীনে কয়েক সদস্যের টিম একটি অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তদন্ত চালিয়ে সত্যতা যাচাই করে। MST. Ferdosi Khatun -নামে এক জাতীয় পরিচয়পত্রের অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিকাশ একাউন্টের বিরুদ্ধে অনলাইন সেবার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠে। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ছোট পরিসরে তদন্ত চালায় নিরাপত্তা সংস্থা। ১লা সেপ্টেম্বর তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে বলে টেলিফোনে দৈনিক নয়ালোক’কে জানায় ক্ষনস্থায়ী করা কমিটির প্রধান। এছাড়াও আরো কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের মারফত আরো কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে দৈনিক নয়ালোক-এর হাতে।

অনলাইনে বিভিন্ন সেবা দেওয়া নাম করে বিকাশের মাধ্যমে অগ্রিম টাকা নিয়ে পরবর্তীতে ভোক্তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ব্লক করে দেয় এক শ্রেণির প্রতারকমহল। সেই অভিযোগে তদন্ত চলাকালীন টাকা পেয়ে রাকিবুল ইসলাম নামে এক সদস্যকে ব্লক করে দেয় এক প্রতারক। সেই সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয় অন্যান্য সদস্যদের সাথে। একপর্যায়ে তদন্ত কমিটিকে গালি দিতে থাকে প্রতারক। এছাড়া, ফোন কলে ভোক্তার সাথে কথা বলতে চায় না এই প্রতারক। ভোক্তার সাথে শতভাগ যোগাযোগ না করতে পারলে কাউকে ব্যবসায়ী বৈধতা দেওয়া হয়না। সেক্ষেত্রে এই প্রতারক কারো সাথে ফোন কলে যোগাযোগ করতে চায়না বলে জানা যায়।

টেলিযোগে এই ধরনের অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে কর্মকর্তা জানান, “আইনানুসারে যে শাস্তি আছে তাই হবে। অপরাধের পরিমাণ অনুযায়ী সর্বনিম্ন দেড় লক্ষ টাকা আর্থিক জরিমানা সহ সর্বনিম্ন ৬০ দিবসের কারাবাস হতে পারে। এছাড়া ভোক্তার সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে জামিনের আবেদন করতে পারবে।” তিনি আরো যোগ করেন, “প্রতারণা শুধুমাত্র এখানে সীমাবদ্ধ না। অনলাইনে আরো অনেক বড় বড় প্রতারকচক্র রয়েছে যারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদেরকেও ধীরে ধীরে আইনের আওতায় আনা হবে।” পাশাপাশি তিনি ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন। যারা প্রতারণার স্বীকার হবে তারা যেন সরাসরি আইনের শরণাপন্ন হয় সেই পরামর্শ দিয়েছেন।