ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজীপুর সিটির ভোট নিয়ে ইসি অত্যন্ত সন্তুষ্ট: ইসি আলমগীর

নয়ালোক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
  • / ৫১৮৩ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। গণমাধ্যমের মাধ্যমেই সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আপনারাও সন্তুষ্ট। ভোটাররা সন্তুষ্ট। প্রার্থীরা সন্তুষ্ট।’

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় এসব কথা বলেন।

ভোট কেমন হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনি কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম ও নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে একই খবর পেয়েছি যে, গাজীপুর সিটির নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। অবাধ ও সুন্দরভাবে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র প্রার্থীরা বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। সবাই বলেছে, নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে হয়েছে। বলেছেন, যে ফলাফলই আসুক তারা মেনে নেবেন।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোথাও কোথাও ভোটগ্রহণ চলতে দেখা গেছে, এটা কি ইভিএমের ধীরগতির কারণে হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের শেষ সময়ে বেষ্টনীর মধ্যে কোনও ভোটার উপস্থিত থাকলে, তাদের ভোটগ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন অব্যাহত রাখতে হবে। এটা ব্যালট ও ইভিএম উভয় ক্ষেত্রে একই নিয়ম। ইভিএমে হয়তো কারও কারও একটু বুঝতে সমস্যা হয়— এজন্য দেরি হতে পারে। তবে ধীরগতির জন্য এটিই একমাত্র কারণ নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কত শতাংশ ভোট গ্রহণ হয়েছে, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে আশা করছি, ৫০ শতাংশের কম হবে না।’

চার হাজার কেন্দ্র একসঙ্গে সিসি টিভিতে দেখা সম্ভব নয়, জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সিসিটিভি স্থাপনের যে উদ্যোগটা এবং আমরা সিটি ক্যামেরায় মনিটর করেছি। এরজন্য মানুষ অন্যায় কাজ করতে ভয় পেয়েছে, এটাই আমাদের সফলতা। এখানে বসে মনিটর করে যেখানে অনিয়ম ধরা পড়েছে— আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এটাকেই তো আপনারা সফলতা হিসেবে দেখবেন। আর সব অপরাধীদের তো একসঙ্গে ধরা সম্ভব হবে না। চোখের সামনে অপরাধী ধরা পড়লে ব্যবস্থা নেওয়া হলো কিনা, সেটা আপনারা দেখবেন।/

জাতীয় নির্বাচনে সিসি টিভি থাববে কিনা প্রশ্নে তার জবাব— এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে এটা বলতে পারবো।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইসি আলমগীর জানান, মার্কিন ভিসা নীতির বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। কাজেই এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমরা আমাদের নিয়মে এখন দায়িত্ব পালন করছি। তখনও করবো। বিষয়টি দুই রাষ্ট্র বুঝবে। এটা নির্বাচন কমিশনের কোনও বিষয় নয়।

শেয়ার করুন :

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজীপুর সিটির ভোট নিয়ে ইসি অত্যন্ত সন্তুষ্ট: ইসি আলমগীর

আপডেট সময় : ০১:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। গণমাধ্যমের মাধ্যমেই সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আপনারাও সন্তুষ্ট। ভোটাররা সন্তুষ্ট। প্রার্থীরা সন্তুষ্ট।’

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় এসব কথা বলেন।

ভোট কেমন হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনি কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম ও নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে একই খবর পেয়েছি যে, গাজীপুর সিটির নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। অবাধ ও সুন্দরভাবে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র প্রার্থীরা বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। সবাই বলেছে, নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে হয়েছে। বলেছেন, যে ফলাফলই আসুক তারা মেনে নেবেন।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোথাও কোথাও ভোটগ্রহণ চলতে দেখা গেছে, এটা কি ইভিএমের ধীরগতির কারণে হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের শেষ সময়ে বেষ্টনীর মধ্যে কোনও ভোটার উপস্থিত থাকলে, তাদের ভোটগ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন অব্যাহত রাখতে হবে। এটা ব্যালট ও ইভিএম উভয় ক্ষেত্রে একই নিয়ম। ইভিএমে হয়তো কারও কারও একটু বুঝতে সমস্যা হয়— এজন্য দেরি হতে পারে। তবে ধীরগতির জন্য এটিই একমাত্র কারণ নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কত শতাংশ ভোট গ্রহণ হয়েছে, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে আশা করছি, ৫০ শতাংশের কম হবে না।’

চার হাজার কেন্দ্র একসঙ্গে সিসি টিভিতে দেখা সম্ভব নয়, জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সিসিটিভি স্থাপনের যে উদ্যোগটা এবং আমরা সিটি ক্যামেরায় মনিটর করেছি। এরজন্য মানুষ অন্যায় কাজ করতে ভয় পেয়েছে, এটাই আমাদের সফলতা। এখানে বসে মনিটর করে যেখানে অনিয়ম ধরা পড়েছে— আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এটাকেই তো আপনারা সফলতা হিসেবে দেখবেন। আর সব অপরাধীদের তো একসঙ্গে ধরা সম্ভব হবে না। চোখের সামনে অপরাধী ধরা পড়লে ব্যবস্থা নেওয়া হলো কিনা, সেটা আপনারা দেখবেন।/

জাতীয় নির্বাচনে সিসি টিভি থাববে কিনা প্রশ্নে তার জবাব— এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে এটা বলতে পারবো।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইসি আলমগীর জানান, মার্কিন ভিসা নীতির বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। কাজেই এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমরা আমাদের নিয়মে এখন দায়িত্ব পালন করছি। তখনও করবো। বিষয়টি দুই রাষ্ট্র বুঝবে। এটা নির্বাচন কমিশনের কোনও বিষয় নয়।