ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গল্পঃ- ‘কন্যার বিবাহ’ – ডি এম কামরুজ্জামান স্বাধীন। পর্ব – ১ || দৈনিক নয়ালোক

SRI Bonsai
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩
  • / ৫১৬০ বার পড়া হয়েছে

“কন্যার বিবাহ”

কলমেঃ- ডি এম কামরুজ্জামান স্বাধীন।

“প্রথম খন্ড”

হিকমত সাহেব বেশ চিন্তিত মনে বসার ঘরের সোফার এক কোণায় নিশ্চুপ বসে আছেন। সামনে একমাত্র মেয়ের বিয়ে। পাত্র বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এসেছেন, সেটা কিছু কাগজে সার্ফিকেটে প্রমাণ পাওয়া গেলেও পাত্রী পক্ষের কাছে যে পরিমাণ সুবিধাদির জন্য বায়না ধরেছেন তাতে আসল শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে। পাত্রী হিরণ্ময়ী দেখতে একটু কম ফর্সা বলে এই অহেতুক বাড়তি চাওয়া। তছাড়া হিরণ্ময়ী কে নিয়ে বিদেশ পাড়ি দিবেন তাতে চাহিদাতো একটু থাকতেই পারে বলে পাত্র পক্ষের এতে কোনো লজ্জাবোধ নেই।

হিকমত সাহেবের চিন্তার মূল কারণ হলো পাত্র পক্ষের চাহিদা পূরণে আর্থিক সংকট। অনেক দিন হয়েছে রিটায়ার্ড করেছেন, পেনশনের টাকা দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনেছেন, সেখান থেকে যা পান তা এবং মস্ফল শহরে ছোট্ট একটা বাড়ি আছে সেখান থেকে কিছু ভাড়া পান তা দিয়েই সংসার চালান। একটা মেয়ে ও একটা ছেলে, ছেলে সবেমাত্র ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। মেয়ে লেখাপড়া শেষ করে চাকরির জন্য চেষ্টা করার ফাঁকেই বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। হিকমত সাহেবেই এখন আর চাকরির জন্য চেষ্টা করতে দিচ্ছেন না।

হিকমত সাহেব অনেক সংগ্রাম করে বড় হয়েছেন। ছোট বেলাতেই বাবা হারিয়ে মা’য়ের সাথে মামা বাড়ি থেকে লেখাপড়া শিখেছেন। ব্যাংকের চাকরি পাওয়ার পরপরই যে মামার আশ্রয় বড় হয়েছেন তাঁকে হারান। এরপর মামার সংসারে সাহায্য করতে গিয়ে একটু বিলম্বে বিয়ে করেন। তাই নিজে চাকরি হতে রিটায়ার্ড হলেও ছেলে-মেয়ে এখনও নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারেননি। তাই চিন্তাটাও একটু বেশি। মেয়ের বিয়ের ব্যয় করতে গিয়ে ছেলের জন্য ভবিষ্যত সঞ্চয় না কমে যায়। নানাবিধ চিন্তা হিকমত সাহেবের মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

“বাবা তুমি এখানে?” বলেই হিরণ্ময়ী হিকমত সাহেবের পাশে বসে। হিকমত সাহেব মেয়ের দিকে একটু মায়ার দৃষ্টিতেই তাকান। ভাবেন নূপুর পড়ে সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখা সেই ছোট্ট পুতুল পুতুল মেয়েটি কতো বড় হয়ে গেছে। কবে যে পরের বাড়ি আপন করে নেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে বুঝতেও পারেননি। মেয়ের মাথায় স্নেহের পরশ বুলিয়ে দিয়ে বলেন, “কিছু বলবি মা?” হিরণ্ময়ী নড়ে বসে, বাবার কাঁধে মাথা রাখে। “হুম, আমাকে তো বিয়ে দিয়ে দূরে সরিয়ে দেয়ার পাকা বন্দোবস্ত করেছো, তাই বিদায় বেলার শেষ অনুষ্ঠানটা কিন্তু আমার ইচ্ছে মত করে হবে” । হিকমত সাহেব মেয়ের কথার আগামাথা কিছু বুঝলেন না, তবে মেয়েকে খুশী করার জন্য মাথা নাড়ালেন এবং বললেন “বল তুই কেমনটা করে চাস”? হিরণ্ময়ী বাবার দিক থেকে পজিটিভ প্রতিক্রিয়া পেয়ে লাফিয়ে উঠে, “গুড বাবা” বলে কপালে চুমু খায়। হিকমত সাহেব এমন পাগলামীতে অভ্যস্ত। মেয়ের বায়না বা আবদার পূরণ হলেই এমনটা করে, এটা হিরণ্ময়ীর ছেলেবেলার অভ্যাস। হিরণ্ময়ী উঠে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ায়। “তোর কি ইচ্ছে সেটাইতো বললি না”। হিকমত সাহেবের এমন প্রশ্নে হিরণ্ময়ী থেমে পেছনে তাকায়। “বাবা বিকেলে আমার বন্ধুরা আসবে, ওদের সাথে বসে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা করে তোমার দরবারে পেশ করবো, তুমি চোখ বন্ধ করে বাজেটে এ্যাপ্রুভাল দিয়ে দিবে।“ কথা শেষ করেই হিরণ্ময়ী দ্রুত চলে যায়। হিরণ্ময়ী চলে গেলেও হিকমত সাহেবের কানে “বাজেট” কথাটা উচ্চ ভলিউমে সাউন্ড বক্সের শব্দের মতো ভাইব্রেশন হতে থাকে।

হিকমত সাহেব এমনিতেই বিয়ের প্রোগ্রাম এবং যৌতুকের আর্থিক চিন্তায় অস্থির, তার উপর মেয়ের বাজেট! বুকের বাম পাশে কেমন যেন ব্যথা অনুভব করছেন কিন্তু কাউকে ডাকছেন না। ব্যথাটা চিনচিন করছে, সাথে স্বাস প্রশ্বাস কেমন জানি বাড়ি হয়ে আসছে। মাথাটা সোফার কুশনে ঠেকিয়ে চোখ বন্ধ করেন। শরীর ঘেমে যাচ্ছে। সামনে মেয়ের বিয়ে, সবাই বিয়ের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত, তাই কাউকে কিছু না বলে চুপটি মেরে শুয়ে থাকেন। (চলবে.. )

 

লেখক পরিচিতিঃ-

লেখক ডি. এম. কামরুজ্জামান স্বাধীন।

পিতা আব্দুল করিম দেওয়ান তাঁর জীবনে চলার পথের আদর্শ। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি ছিল‌ প্রবল আগ্রহ। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার ছায়া‌সুনিবির নিভৃত পল্লী কেয়াইন গ্রামে ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে বাল্য জীবনের অনেকটা সময় কেটেছে মাদ্রাসা শিক্ষায়। সেখানে মন বসাতে না পেরে অতঃপর আবার প্রাইমারী স্কুলে ফেরত। দূরন্ত কৈশোর কেটেছে গ্রামের বাড়িতে।‌

স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় “বাংলাদেশ শিশু একাডেমী” থেকে প্রকাশিত “শিশু পত্রিকায়” বর্ষা‌ সংখ্যায় প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়।

শিক্ষা-জীবনঃ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কুচিয়ামোড়া থেকে এস.এস.সি, তেজগাঁও কলেজ ঢাকা থেকে এইচ.এস. সি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন।

পেশাঃ একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সেলস্ ডিপার্টমেন্টে কর্মরত আছেন।

পছন্দঃ খেলাধুলা, বই পড়া, দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ানো ও সাহিত্য চর্চা করা।

রচনাবলীঃ দেশের স্বনামধন্য অনেক শিল্পী লেখকের রচিত গানের কথায় গান গেয়েছেন। ইউটিউবসহ অনেক অনলাইন প্ল্যাপফর্মে লেখকের লেখা গান এর ভিডিও অডিও দেখা ও শোনা যায়। লেখকের অসংখ্য কবিতা স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও নাটকের স্ক্রিপ্ট, গানের ভিডিও স্ক্রিপ্ট, ছোট গল্প, প্রবন্ধ, ছড়া ও গান রচনা করেন।

পুরস্কারঃ বিভিন্ন অনলাইন সাহিত্য সংগঠন ও সাহিত্য পত্রিকা থেকে অসংখ্য সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন।

শেয়ার করুন :

আপলোডকারীর তথ্য

গল্পঃ- ‘কন্যার বিবাহ’ – ডি এম কামরুজ্জামান স্বাধীন। পর্ব – ১ || দৈনিক নয়ালোক

আপডেট সময় : ১০:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

“কন্যার বিবাহ”

কলমেঃ- ডি এম কামরুজ্জামান স্বাধীন।

“প্রথম খন্ড”

হিকমত সাহেব বেশ চিন্তিত মনে বসার ঘরের সোফার এক কোণায় নিশ্চুপ বসে আছেন। সামনে একমাত্র মেয়ের বিয়ে। পাত্র বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এসেছেন, সেটা কিছু কাগজে সার্ফিকেটে প্রমাণ পাওয়া গেলেও পাত্রী পক্ষের কাছে যে পরিমাণ সুবিধাদির জন্য বায়না ধরেছেন তাতে আসল শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে। পাত্রী হিরণ্ময়ী দেখতে একটু কম ফর্সা বলে এই অহেতুক বাড়তি চাওয়া। তছাড়া হিরণ্ময়ী কে নিয়ে বিদেশ পাড়ি দিবেন তাতে চাহিদাতো একটু থাকতেই পারে বলে পাত্র পক্ষের এতে কোনো লজ্জাবোধ নেই।

হিকমত সাহেবের চিন্তার মূল কারণ হলো পাত্র পক্ষের চাহিদা পূরণে আর্থিক সংকট। অনেক দিন হয়েছে রিটায়ার্ড করেছেন, পেনশনের টাকা দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনেছেন, সেখান থেকে যা পান তা এবং মস্ফল শহরে ছোট্ট একটা বাড়ি আছে সেখান থেকে কিছু ভাড়া পান তা দিয়েই সংসার চালান। একটা মেয়ে ও একটা ছেলে, ছেলে সবেমাত্র ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। মেয়ে লেখাপড়া শেষ করে চাকরির জন্য চেষ্টা করার ফাঁকেই বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। হিকমত সাহেবেই এখন আর চাকরির জন্য চেষ্টা করতে দিচ্ছেন না।

হিকমত সাহেব অনেক সংগ্রাম করে বড় হয়েছেন। ছোট বেলাতেই বাবা হারিয়ে মা’য়ের সাথে মামা বাড়ি থেকে লেখাপড়া শিখেছেন। ব্যাংকের চাকরি পাওয়ার পরপরই যে মামার আশ্রয় বড় হয়েছেন তাঁকে হারান। এরপর মামার সংসারে সাহায্য করতে গিয়ে একটু বিলম্বে বিয়ে করেন। তাই নিজে চাকরি হতে রিটায়ার্ড হলেও ছেলে-মেয়ে এখনও নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারেননি। তাই চিন্তাটাও একটু বেশি। মেয়ের বিয়ের ব্যয় করতে গিয়ে ছেলের জন্য ভবিষ্যত সঞ্চয় না কমে যায়। নানাবিধ চিন্তা হিকমত সাহেবের মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

“বাবা তুমি এখানে?” বলেই হিরণ্ময়ী হিকমত সাহেবের পাশে বসে। হিকমত সাহেব মেয়ের দিকে একটু মায়ার দৃষ্টিতেই তাকান। ভাবেন নূপুর পড়ে সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখা সেই ছোট্ট পুতুল পুতুল মেয়েটি কতো বড় হয়ে গেছে। কবে যে পরের বাড়ি আপন করে নেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে বুঝতেও পারেননি। মেয়ের মাথায় স্নেহের পরশ বুলিয়ে দিয়ে বলেন, “কিছু বলবি মা?” হিরণ্ময়ী নড়ে বসে, বাবার কাঁধে মাথা রাখে। “হুম, আমাকে তো বিয়ে দিয়ে দূরে সরিয়ে দেয়ার পাকা বন্দোবস্ত করেছো, তাই বিদায় বেলার শেষ অনুষ্ঠানটা কিন্তু আমার ইচ্ছে মত করে হবে” । হিকমত সাহেব মেয়ের কথার আগামাথা কিছু বুঝলেন না, তবে মেয়েকে খুশী করার জন্য মাথা নাড়ালেন এবং বললেন “বল তুই কেমনটা করে চাস”? হিরণ্ময়ী বাবার দিক থেকে পজিটিভ প্রতিক্রিয়া পেয়ে লাফিয়ে উঠে, “গুড বাবা” বলে কপালে চুমু খায়। হিকমত সাহেব এমন পাগলামীতে অভ্যস্ত। মেয়ের বায়না বা আবদার পূরণ হলেই এমনটা করে, এটা হিরণ্ময়ীর ছেলেবেলার অভ্যাস। হিরণ্ময়ী উঠে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ায়। “তোর কি ইচ্ছে সেটাইতো বললি না”। হিকমত সাহেবের এমন প্রশ্নে হিরণ্ময়ী থেমে পেছনে তাকায়। “বাবা বিকেলে আমার বন্ধুরা আসবে, ওদের সাথে বসে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা করে তোমার দরবারে পেশ করবো, তুমি চোখ বন্ধ করে বাজেটে এ্যাপ্রুভাল দিয়ে দিবে।“ কথা শেষ করেই হিরণ্ময়ী দ্রুত চলে যায়। হিরণ্ময়ী চলে গেলেও হিকমত সাহেবের কানে “বাজেট” কথাটা উচ্চ ভলিউমে সাউন্ড বক্সের শব্দের মতো ভাইব্রেশন হতে থাকে।

হিকমত সাহেব এমনিতেই বিয়ের প্রোগ্রাম এবং যৌতুকের আর্থিক চিন্তায় অস্থির, তার উপর মেয়ের বাজেট! বুকের বাম পাশে কেমন যেন ব্যথা অনুভব করছেন কিন্তু কাউকে ডাকছেন না। ব্যথাটা চিনচিন করছে, সাথে স্বাস প্রশ্বাস কেমন জানি বাড়ি হয়ে আসছে। মাথাটা সোফার কুশনে ঠেকিয়ে চোখ বন্ধ করেন। শরীর ঘেমে যাচ্ছে। সামনে মেয়ের বিয়ে, সবাই বিয়ের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত, তাই কাউকে কিছু না বলে চুপটি মেরে শুয়ে থাকেন। (চলবে.. )

 

লেখক পরিচিতিঃ-

লেখক ডি. এম. কামরুজ্জামান স্বাধীন।

পিতা আব্দুল করিম দেওয়ান তাঁর জীবনে চলার পথের আদর্শ। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি ছিল‌ প্রবল আগ্রহ। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার ছায়া‌সুনিবির নিভৃত পল্লী কেয়াইন গ্রামে ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে বাল্য জীবনের অনেকটা সময় কেটেছে মাদ্রাসা শিক্ষায়। সেখানে মন বসাতে না পেরে অতঃপর আবার প্রাইমারী স্কুলে ফেরত। দূরন্ত কৈশোর কেটেছে গ্রামের বাড়িতে।‌

স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় “বাংলাদেশ শিশু একাডেমী” থেকে প্রকাশিত “শিশু পত্রিকায়” বর্ষা‌ সংখ্যায় প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়।

শিক্ষা-জীবনঃ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কুচিয়ামোড়া থেকে এস.এস.সি, তেজগাঁও কলেজ ঢাকা থেকে এইচ.এস. সি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন।

পেশাঃ একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সেলস্ ডিপার্টমেন্টে কর্মরত আছেন।

পছন্দঃ খেলাধুলা, বই পড়া, দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ানো ও সাহিত্য চর্চা করা।

রচনাবলীঃ দেশের স্বনামধন্য অনেক শিল্পী লেখকের রচিত গানের কথায় গান গেয়েছেন। ইউটিউবসহ অনেক অনলাইন প্ল্যাপফর্মে লেখকের লেখা গান এর ভিডিও অডিও দেখা ও শোনা যায়। লেখকের অসংখ্য কবিতা স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও নাটকের স্ক্রিপ্ট, গানের ভিডিও স্ক্রিপ্ট, ছোট গল্প, প্রবন্ধ, ছড়া ও গান রচনা করেন।

পুরস্কারঃ বিভিন্ন অনলাইন সাহিত্য সংগঠন ও সাহিত্য পত্রিকা থেকে অসংখ্য সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন।